মতিন একজন কৃষক। তার বড় মেয়ে জলি ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়। মতিন কবিরাজের কাছ থেকে পানিপড়া এনে খাওয়ান এবং তাবিজ দরজায় ঝুলিয়ে রাখেন। বাড়ির সবাইকে সাবধান করে বলেন খোঁড়া কোনো প্রাণী দেখলে যেন তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তার ধারণা ডেঙ্গুজ্বর খোঁড়া প্রাণীর রূপ ধরে বাড়িতে আসে। কিন্তু মতিনের অষ্টম শ্রেণিতে পড়া ছোট ছেলে জনি বাবার ধারণা ভুল প্রমাণ করতে তার বিজ্ঞান বইয়ে ডেঙ্গুজ্বরের বাহক এডিস মশার উদাহরণ দেয়।
নগেনের কথা বলার ভঙ্গি খাপছাড়া হওয়ার কারণ সে ভীষণ ভয় পেয়েছে।
নগেনের মামা ছিল কৃপণ স্বভাবের লোক। কিন্তু মামা মারা যাওয়ার আগে নগেনকে অনেক টাকা উইল করে দিয়ে যান। বেঁচে থাকতে নগেন তার মামার প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি না করায় আত্মগ্লানিতে ভুগতে থাকে। এই আত্মগ্লানি কমানোর জন্য সে মামার তৈলচিত্র ধরে ক্ষমা চাইতে গেলে কীসে যেন তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। সে মনে করে তার মামার প্রেতাত্মা তার সাথে এরকম করে। ফলে ভয় পাওয়ায় নগেনের কথা বলার ভঙ্গি খাপছাড়া হয়ে গেছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?